সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী ও শিশুসহ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন
নিহতদের মধ্যে ফাতেমা (৪০) এবং তার ছেলে রাকিবের (৮) নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোনার মদন উপজেলার শিবাশ্রম এলাকায়। অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসযোগে চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনা যাচ্ছিল তারা। পথে কুমিরায় বাসে ত্রুটি দেখা দিলে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে সড়কের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় দ্রুতগতির লরি এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন এবং হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশিক জানান, রাতে দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক শিশু ও এক নারীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
সালমান/
আরও পড়ুন
শেরপুরে বসতঘরে বৃদ্ধের দাফন
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শেরপুরের শ্রীবরদীতে দাফন করার মতো নিজস্ব জমি না থাকায় আব্দুল করিম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ বসতঘরেই দাফন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলার তাতিহাটী ইউনিয়নের শালমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই বৃদ্ধের নাম আব্দুল করিম। শালমারা এলাকায় পারিবারিক কবরস্থান ছাড়া কোনো গণকবরস্থান নেই। যার কারণে যেসব পরিবারের পারিবারিক কবরস্থান নেই তারা ব্যাপক বিড়ম্বনায় পড়েছেন। কেউ কেউ বাড়ির আঙিনায়, বসতবাড়ির সামনে, বসতঘরের পাশে মরদেহ দাফন করে থাকেন। আব্দুল করিমের বসতঘরের জায়গা ছাড়া আর কোনো জমি না থাকায় বসতঘরেই তাকে দাফন করা হয়। এরপর থেকেই এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
আরও পড়ুন
শালমারা গ্রামের মাসুদ মিয়া বলেন, ‘আমরা এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজকে শালমারা গ্রামে একটি গণকবরস্থানের দাবি দীর্ঘদিন থেকে করে আসছি। কেউ এগিয়ে না আসায় আব্দুল করিমকে তার ঘরেই দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও লজ্জার।’
বৃদ্ধের মেয়ে রিক্তা পারভীন জানান, বসতঘরের জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাবাকে ঘরেই দাফন করেছে। তবে আর কোনো স্বজনকে বা এলাকার অন্য কাউকে যাতে ঘরে দাফন করতে না হয়, এজন্য এলাকায় একটি গণকবরস্থান হওয়া দরকার।
তাতীহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ বলেন, ‘শালামারা এলাকায় কোনো গণকবরস্থান নেই। বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। মঙ্গলবার নিহতের পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে পাশেই ষাইটকাকড়া গণকবরস্থানে দাফন করা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মরদেহটি মঙ্গলবার স্থানান্তর করার প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘সমাজে একজন মানুষ মারা যাবে, তাকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে না এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে দ্রুত নির্দেশ দিয়েছি। মঙ্গলবার পাশে যে কবরস্থান আছে, সেখানে তাকে দাফন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সত্যি আমি মর্মাহত। খবরটি জানার পরপরই শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্যকে অবগত করেছি।’
শাকিল মুরাদ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
সিলেটে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহসভাপতি আটক
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ এএম
আটক আলী আহমদ ওরফে আল মামুন।ছবি: সংগৃহীত
-->সিলেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ওয়ার্ড সহসভাপতি আলী আহমদ ওরফে আল মামুনকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে জালালাবাদ থানার পুলিশ শিবেরবাজার এলাকার মধুবন নামের একটি দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামুন সিলেট সদর উপজেলার ২নং হাটখোলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এর সহ-সভাপতি।
আরও পড়ুন
পুলিশ জানায়, আটক আলী আহমদ ওরফে আল মামুন (২৫) জালালাবাদ থানার দখড়ী এলাকার কালা মিয়ার ছেলে। তিনি হাটখোলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহসভাপতি। গত ১ আগস্ট সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে জালালাবাদ থানার তেমুখী পয়েন্ট থেকে তেলিবাজার বাইপাস সড়কের অনন্তপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় আলী আহমদ এজাহারভুক্ত আসামি।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জালালাবাদ থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ একাধিক ধারায় করা আরেকটি মামলাতেও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
কুড়িগ্রামে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ী এলাকায় ঢাকাগামী বাসের ধাক্কায় মনিকা (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের কাঁঠালবাড়ী বিদ্যাকানন স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকাগামী পিংকি নামের বাসের পেছন থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে অটোরিকশাচালকসহ তিন যাত্রী আহত হয়। এদের মধ্যে একটি শিশু ছিল।
আরও পড়ুন
আহতদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু মনিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নুর শাহে নেওয়াজ জানান, হাসপাতালে তিনজনকে নিয়ে আসে। এর মধ্যে শিশুটি মৃত ছিল। অন্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাম সিরাজ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
প্রতিশ্রুতি-অভিযোগে সরগরম ভোটের মাঠ
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম
নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন মির্জা ফয়সল আমীন (বাঁয়ে), বক্তব্য দেন দেলাওয়ার হোসেন। সম্প্রতি তোলা। ছবি: খবরের কাগজ
-->অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আর রাজনৈতিক নেতাদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিতে ১৮ দিন ধরে মুখরিত ছিল ঠাকুরগাঁও-১ আসন। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকায় বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান। তাদের মন জয় করার চেষ্টা করেন। তফসিল অনুযায়ী আজ ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত ছিল নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার শেষ সময়। তাই গতকাল সোমবার সব দলের প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আবদুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। তবে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপির জেলা সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ফলে আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমীন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই সরগরম হয়ে ওঠে নির্বাচনি মাঠ। প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থীরা কখনো একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন, আবার কখনো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করেন। প্রচারের প্রথম থেকেই সরব ছিলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। তবে মাঝেমধ্যে ভোটারদের সামনে উপস্থিত হতে দেখা গেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইমলামকে। তবে নির্বাচনি মাঠে দেখা যায়নি অন্য দুই প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুককে।
আরও পড়ুন
নির্বাচনি প্রচারে বেকারত্ব দূর করা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমীন। মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজ করতে চান তিনি। ভোটারদের সামনে তুলে ধরেছেন তার বড় ভাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে গত ছয় মাসে ঠাকুরগাঁওয়ের জন্য কী কী করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এসব বরাদ্দ দিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতি হয়ে গেছেন। এখন তার কাজগুলো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমি আপনাদের কাছে এসেছি। আমাকে ভোট দিয়ে সাহায্য করুন।’
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচিত হতে পারলে আমি আপনাদের জন্য খোলাবাজারে সার বিক্রির ব্যবস্থা করে দেব। মাদক নির্মূলে কাজ করব। ঠাকুরগাঁও শহরের চারপাশ দিয়ে একটি রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। এই সড়ক বাইপাস হিসেবে কাজ করবে। প্রতিটি উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখব।’
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘গত নির্বাচনের আগে তারা ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলেছিল। নির্বাচনে জেতার পর দেয়নি। এখন উপনির্বাচনেও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার গান শুরু করেছে। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিলেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলেও প্রচার করা হচ্ছে।’ দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি এমপি হতে পারলে শুধু রাষ্ট্রের বরাদ্দ নয়, বিদেশি বরাদ্দে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে কাজ করব। আগামী দিনের দুর্নীতিমুক্ত ঠাকুরগাঁও দেখতে চাইলে ভোট দিতে হবে দাঁড়িপাল্লায়।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, ভোটাররা যেন ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
