রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভা।ছবি: সংগৃহীত।
Published on
:
1 min read
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে যদি নতুন কোনও দেশকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া হয়, তবে সেই দেশকে ভিটো ক্ষমতাও দিতে হবে। ভিটো ছাড়া স্থায়ী সদস্যপদ দিলে তা ‘দ্বিতীয় শ্রেণি’র সদস্যপদ হবে। সে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও সেই পাঁচটি দেশের হাতেই থেকে যাবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় এই মর্মে সওয়াল করল ভারত।
এখন রাষ্ট্রপুঞ্জের ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য পাঁচ দেশ— চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং আমেরিকা। এই পাঁচ দেশের হাতেই ভিটো ক্ষমতা রয়েছে। এ ছাড়া ২ বছরের মেয়াদে আরও ১০ অস্থায়ী সদস্য দেশ এই পরিষদে নির্বাচিত হয়।
সোমবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় ভিটো নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বতানেনি। তিনি বলেন, ‘ভিটো ক্ষমতা নিয়ে ভারতের অবস্থান সকলের জানা। আমাদের বক্তব্য, যত দিন ভিটো ব্যবস্থা থাকবে, তা স্থায়ী সদস্যের হাতে সমান ভাবেই থাকা উচিত।’ তাঁর ব্যাখ্যা, সংস্কারের নামে নিরাপত্তা পরিষদের সম্প্রসারণ ঘটানো হোক। ভিটো ক্ষমতা ছাড়া স্থায়ী সদস্যপদের অর্থ, সংশ্লিষ্ট দেশকে ‘দ্বিতীয় শ্রেণি’-র সদস্য হিসেবে গণ্য করা। এতে পাঁচ দেশের একচেটিয়া ক্ষমতার কোনও পরিবর্তনই হবে না।
ভারত দীর্ঘ দিন ধরেই নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী, দু’ক্ষেত্রেই সম্প্রসারণের দাবি জানিয়ে আসছে। নয়াদিল্লি বার বার বলে এসেছে, শুধু অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা বাড়ালে এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সদস্যপদের দাবিও জানিয়ে এসেছে। তাতে আমেরিকা, রাশিয়া রাজিও ছিল। কিন্তু ভিটো দিয়ে তা আটকে দিয়েছে চিন।
