ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে বাধা দেওয়ায় বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে শরীয়ত উল্লাহকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের ওপর শুনানি শেষে এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোস্তফা সারওয়ার এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সিদ্দিকী, মীর মনিরুজ্জামান, সোলাইমান হাওলাদার ও মিজানুর রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী একেএম ফজলুল হক খান।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে গফরগাঁও উপজেলার ডুবাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন ছেলে শরীয়ত উল্লাহ। পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তিনি এ হামলা চালান বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় ছেলেকে বাধা দিতে গেলে মা নাসিমা খাতুনও কুড়ালের আঘাতে আহত হন।
পরবর্তীকালে গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ ও নাসিমা খাতুনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মার্চ মারা যান ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ।
এ ঘটনায় ১৫ মার্চ নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল আমিন বিপ্লব শরীয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
