চিত্রনায়ক জায়েদ খানের মুখজুড়ে রক্তের মতো লাল দাগ। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ বলছেন পানের পিক, আবার কারও ধারণা, এটি টমেটো সস। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন এই চিত্রনায়ক নিজেই।
জায়েদ খান বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাস করলেও কানাডায় ‘ভায়োলেন্স’ নামের একটি সিনেমার শুটিং করছেন। দেশটির বিভিন্ন স্থানে চলছে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ। শুটিংয়ের নানা মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন তিনি।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ছবিতে তাঁর মুখে রক্তের মতো লাল দাগ দেখা যায়। ছবিটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। তবে জায়েদ খান জানিয়েছেন, ছবিতে দেখা যাওয়া রক্ত বাস্তব নয়; এটি সিনেমার দৃশ্যের প্রয়োজনে ব্যবহার করা কৃত্রিম রক্ত।
এ প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, ‘এটা এক ধরনের কৃত্রিম রক্ত। সিনেমার একটি দৃশ্যে খুনের ঘটনা রয়েছে। সেই খুনের দৃশ্য করতে গিয়ে আমার মুখে রক্ত এসে পড়ে। ছবিটিতে অনেক নৃশংস ঘটনা রয়েছে। সেসবের শুটিং ছিল। বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্য করতে হয়েছে। এই প্রথম এমন কঠিন কিছু অ্যাকশনে আমাকে দেখা যাবে।’
সিনেমাটি নিয়ে সমালোচনার বিষয়েও কথা বলেছেন জায়েদ খান। তাঁর দাবি, অনেকে তাঁকে সমালোচনা করার জন্যই অপেক্ষা করেন। তবে সিনেমাটি মুক্তি পেলে তাঁর অভিনীত চরিত্র দেখে সমালোচকদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে বলে আশা করছেন তিনি।
জায়েদ খান বলেন, ‘অনেকেই তো আমার সমালোচনা করার জন্যই বসে থাকে। তারা সমালোচনা করবেই। তবে ছবিটি মুক্তি পেলে আমাকে যে ভূমিকায় দেখা যাবে, তাতে মনে করি সমালোচকরাও মত পরিবর্তন করবেন।’
‘ভায়োলেন্স’ সিনেমায় জায়েদ খানের সঙ্গে অভিনয়ের কথা ছিল চিত্রনায়িকা অধরা খান ও শিরিন শিলার। তবে পরিচালকের অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তুলে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান অধরা খান।
উল্লেখ্য, বড়পর্দায় জায়েদ খানের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘সোনার চর’। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার পর দীর্ঘ বিরতিতে রয়েছেন তিনি। এবার ‘ভায়োলেন্স’-এ তাঁকে অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা। তবে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
